
السَّلاَمُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُهُ
''হে ঈমানদারগণ, তোমরা নিজেদেরকে ও তোমাদের পরিবার-পরিজনকে আগুন হতে বাঁচাও যার জ্বালানি হবে মানুষ ও পাথর; যেখানে রয়েছে নির্মম ও কঠোর ফেরেশতাকূল, আল্লাহ তাদেরকে যে নির্দেশ দিয়েছেন তারা সে ব্যাপারে তার অবাধ্য হয় না। আর তারা তা-ই করে যা তাদেরকে আদেশ করা হয় '' [৬৬:৬] আত তাহরীম
বেসিক দোয়ার ভুবনে আপনাকে স্বাগতম।দ্বীনি ভাই ও বোনেরা ইসলাম চর্চা আপনার ইহকাল ও পরকালে এক নতুন দ্বার উন্মোচিত করুক এবং জান্নাতুল ফেরদাউস হউক আমার আপনার শেষ ঠিকানা --এই কামনায় আজকের এই ক্ষুদ্র আয়োজনে চলুন এক নজর দৃষ্টি দেয়া যাক কুরআন ও হাদিছের একগুচ্ছ দোয়াসমুহ:-
মৃত বাবা মার জন্য দোয়া:-
اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ الَّذِىْ بِنِعْمَتِهِ تَتِمُّ الصَّالِحَاتُ
উচ্চারণ: ‘আলহামদুলিল্লাহি আল্লাযি বিনিমাতিহি তাতিম্মুস সালিহাত’।
অর্থ: ‘সব প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যার নেয়ামতের মাধ্যমে ভালো কাজগুলো সম্পন্ন হয়।’
(ইবনে মাজাহ: ৩৮০৩)
رَبَّنَا اغْفِرْ لِىْ وَلِوَالِدَىَّ وَلِلْمُؤْمِنِيْنَ يَوْمَ يَقُوْمُ الْحِسَابُ
উচ্চারণ: ‘রাব্বানাগ ফিরলি ওয়ালিওয়ালিদাইয়া, ওয়ালিল মু’মিনিনা ইয়াওমা ইয়াকুমুল হিসাব’।
অর্থ: ‘হে আমাদের প্রতিপালক! রোজ কেয়ামতে আমাকে, আমার পিতা-মাতা ও সকল মুমিনকে ক্ষমা করুন।’
(সুরা ইবরাহিম: ৪১)
رَّبِّ ارْحَمْهُمَا كَمَا رَبَّيَانِيْ صَغِيْرًا
উচ্চারণ: ‘রাব্বির হামহুমা, কামা রাব্বায়ানি সাগিরা’।
অর্থ: ‘হে আমার প্রতিপালক, তাদের উভয়ের প্রতি রহম করো; যেমন তারা আমাকে শৈশবকালে লালন-পালন করেছেন।’
(সুরা বনি ইসরাঈল: ২৪)
শিরক থেকে বাঁচার দোয়া
اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ أَنْ أُشْرِكَ بِكَ وَأَنَا أَعْلَمُ، وَأَسْتَغْفِرُكَ لِمَا لَا أَعْلَمُ
আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘উযু বিকা আন উশরিকা বিকা ওয়া আনা আ‘লামু, ওয়া আসতাগফিরুকা লিমা লা আ‘লামু।
অর্থ :হে আল্লাহ! আমি জেনে–বুঝে আপনার সঙ্গে শিরক করা থেকে আপনার আশ্রয় চাই,এবং আমি না জেনে (অজান্তে) যে শিরক করে ফেলেছি তার জন্য আপনার কাছে ক্ষমা চাই
নফস (মনের খারাপ প্রবৃত্তি/অহংকার/কু-প্রবণতা) থেকে বাঁচার দোয়া
اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ نَفْسِي
আল্লাহুম্মা ইন্নি আ‘উযু বিকা মিন শার্রি নাফসি
হে আল্লাহ! আমি আমার নিজের নফসের অনিষ্ট (খারাপ প্রবৃত্তি) থেকে আপনার কাছে আশ্রয় চাই।
একটি গুরুত্বপূর্ণ দোয়া :-
যে ব্যক্তি রাতে ঘুম ভাংগার পর এ দোয়া পড়বে, তাকে ক্ষমা ও তার দোয়া কবুল করা হবে .যদি সে ওযু করে নামাজ পড়ে, তার নামাজও কবুল হবে 📚 রেফারেন্স: সহিহ বুখারি
لَا إِلٰهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ،
لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ،
سُبْحَانَ اللَّهِ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ، وَلَا إِلٰهَ إِلَّا اللَّهُ، وَاللَّهُ أَكْبَرُ،
وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ الْعَلِيِّ الْعَظِيمِ،
رَبِّ اغْفِرْ لِي
উচ্চারণ :-লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুয়া ‘আলা কুল্লি শাইইন কাদীর। সুবহানাল্লাহ, ওয়াল হামদুলিল্লাহ, ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, ওয়াল্লাহু আকবার। ওয়া লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহিল ‘আলিয়্যিল ‘আযীম। রব্বিগফির লী।
(আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, তিনি এক, তাঁর কোনো শরিক নেই।রাজত্ব তাঁরই এবং সমস্ত প্রশংসা তাঁরই, আর তিনি সব কিছুর ওপর ক্ষমতাবান।আল্লাহ পবিত্র, সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য।আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ।আল্লাহ ছাড়া কোনো শক্তি ও ক্ষমতা নেই—তিনি সর্বোচ্চ, মহান।হে আমার রব! আমাকে ক্ষমা করে দিন।)[সহীহ বুখারী,মুসলীম]
আবু হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত নবী ﷺ সিজদায় এই দোয়া পড়তেন:-
للَّهُمَّ اغْفِرْ لِي ذَنْبِي كُلَّهُ، دِقَّهُ وَجِلَّهُ، وَأَوَّلَهُ وَآخِرَهُ، وَعَلَانِيَتَهُ وَسِرَّهُ
আল্লাহুম্মাগ্ফির লী যাম্বী কুল্লাহু, দিক্কাহু ওয়া জিল্লাহু, ওয়া আউওয়ালাহু ওয়া আখিরাহু, ওয়া আলানিয়াতাহু ওয়া সিররাহু।
হে আল্লাহ! আমার সব গুনাহ ক্ষমা করে দিন— ছোট ও বড়, আগের ও পরের, প্রকাশ্য ও গোপন—সবই।[সহিহ মুসলিম হাদিস নম্বর: 483]
Aisha (RA) থেকে বর্ণিত—
Prophet Muhammad (ﷺ) সিজদায় বলতেন:
سُبُّوحٌ قُدُّوسٌ رَبُّ الْمَلَائِكَةِ وَالرُّوحِ
সুব্বূহুন কুদ্দুসুন রব্বুল মালা-ইকাতি ওয়ার রূহ
''তিনি (আল্লাহ) পবিত্র, অতি পবিত্র;
তিনি ফেরেশতাগণ ও রূহ (জিবরাইল আ.)-এর প্রতিপালক।''
আয়িশা (রাঃ)থেকে বর্ণিত নবী ﷺ রাতের নামাজে (তাহাজ্জুদে), সিজদায় এই দোয়া পড়তেন:-
اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِرِضَاكَ مِنْ سَخَطِكَ، وَبِمُعَافَاتِكَ مِنْ عُقُوبَتِكَ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْكَ،
لَا أُحْصِي ثَنَاءً عَلَيْكَ، أَنْتَ كَمَا أَثْنَيْتَ عَلَى نَفْسِكَ
আল্লাহুম্মা ইন্নী আ‘উযু বিরিদ্বাকা মিন সাখাতিক, ওয়া বিমু‘আফাতিক মিন ‘উকূবাতিক, ওয়া আ‘উযু বিকা মিনকা,
লা উহসী সানাআন ‘আলাইকা, আনতা কামা আছনাইতা ‘আলা নাফসিকা।
(হে আল্লাহ! আমি তোমার সন্তুষ্টির মাধ্যমে তোমার অসন্তুষ্টি থেকে আশ্রয় চাই, তোমার ক্ষমার মাধ্যমে তোমার শাস্তি থেকে আশ্রয় চাই,
আর আমি তোমার কাছেই তোমা থেকেই আশ্রয় চাই। আমি তোমার যথাযথ প্রশংসা করতে সক্ষম নই—
তুমি নিজে যেমন নিজের প্রশংসা করেছ, তুমিই তেমন।)[সহিহ মুসলিম হাদিস নম্বর: 486]
আয়িশা (রাঃ)থেকে বর্ণিত :
اللّٰهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ النَّارِ وَعَذَابِ النَّارِ،
وَ عَذَابِ الْقَبْرِ وَفِتْنَةِ الْقَبْرِوَمِنْ شَرِّ فِتْنَةِ الْغِنَىٰ،
وَمِنْ شَرِّ فِتْنَةِ الْفَقْرِ،وَمِنْ شَرِّ الْمَسِيحِ الدَّجَّالِ۔
اللّٰهُمَّ اغْسِلْ خَطَايَايَ بِمَاءِ الثَّلْجِ وَالْبَرَدِ،
وَنَقِّ قَلْبِي مِنَ الْخَطَايَا كَمَا نَقَّيْتَ الثَّوْبَ الْأَبْيَضَ مِنَ الدَّنَسِ،
وَبَاعِدْ بَيْنِي وَبَيْنَ خَطَايَايَ كَمَا بَاعَدْتَ بَيْنَ الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ۔
اللّٰهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْكَسَلِ، وَالْهَرَمِ، وَالْمَأْثَمِ، وَالْمَغْرَمِ۔
আল্লাহুম্মা ইন্নি আ‘উজু বিকা মিন ফিতনাতি-ন-নাড়ি ওয়া ‘আজাবিন-নাড়ি ওয়া ‘আজাবিল-কবরি ওয়া ফিতনাতিল-কবরি ওয়া মিন শার্রি ফিতনাতিল-গিনা ওয়া মিন শার্রি ফিতনাতিল ফাকরি ওয়া মিন শার্রিল-মসীহিদ-দজ্জাল।
আল্লাহুম্মাগ সিল খাতা ইয়্যা ইয়্যা বিমা’ইছ ছালজি ওয়াল-বারদ, ওয়া নাক্কি কালবি মিনাল খাত্বা ইয়্যা কামা
নাক্কাইতাছ ছাওবাল-আব ইয়্যাদ্বা মিনাদ-দানাস, ওয়া বা‘ইদ বায়নি ওয়া বাইনা খাতা ইয়্যা ইয়্যা কামা বাআ‘দতা বায়নাল-মাশরিকি ওয়াল-মাগরিব। আল্লাহুম্মা ইন্নী আউযু বিকা মিনাল কাসাল,ওয়াল হারাম,ওয়াল মা’ ছাম,ওয়াল মাগ্রাম।
''হে আল্লাহ! আমি তোর শরণাপন্ন, আগুনের প্রলয় এবং আগুনের শাস্তি থেকে, কবরের শাস্তি এবং কবরের ফিতনা থেকে, ধনসম্পদের ফিতনা থেকে এবং দারিদ্র্যের ফিতনা থেকে, এবং মসীহ দজাল এর شر থেকে। হে আল্লাহ! আমার পাপগুলোকে বরফ এবং ঠান্ডার পানিতে ধুয়ে দে, এবং আমার হৃদয়কে পাপ থেকে পরিস্কার কর যেমন তুমি সাদা কাপড়কে ময়লা থেকে পরিস্কার করো। আমার এবং আমার পাপের মধ্যে এমন দূরত্ব সৃষ্টি কর যেমন তুমি পূর্ব এবং পশ্চিমের মধ্যে দূরত্ব রেখেছ। হে আল্লাহ! আমি তোর শরণাপন্ন কিয়াস, চিন্তা এবং অতিরিক্ত সম্পদ থেকে।”( সহিহ বুখারি,মুসলিম)
ভূমিকম্পের সময় একটি গুরুত্বপূর্ণ দোয়া
اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنَ التَّرَدِّيْ وَالْهَدْمِ
আল্লাহুম্মা ইন্নী আ‘উযু বিকা মিনাত্-তারাদ্দী ওয়াল-হাদ্ম।
(হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই পতন (পড়ে যাওয়া) এবং ধ্বংস/ভাঙনের বিপদ থেকে।[Sunan an-Nasa'i: 5529, Sunan an-Nasa'i: 5531]
যে কোন বিপদে পড়লে /কোন কিছু হারিয়ে ফেললে তার বিনিময়ে সওয়াব পেতে পড়ুন:-
إِنَّا لِلَّهِ وَإِنَّا إِلَيْهِ رَاجِعُونَ اللَّهُمَّ أُجُرْنِي فِي مُصِيبَتِي، وَأَخْلُفْ لِي خَيْرًا مِنْهَا
(ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন, আল্লা-হুম্মা আজুরনী ফী মুসীবাতী ওয়াখলুফ লী খাইরাম মিনহা)
(আমরা আল্লাহর জন্য এবং আমাদেরকে তার দিকেই ফিরে যেতে হবে, হে আল্লাহ! এই বিপদে আমাকে সওয়াব দান করুন এবং যা আমি হারিয়েছি তার বদলে তার চেয়ে ভাল কিছু দান করুন) সহীহ মুসলিম ৯১৮
ষড়যন্ত্র বানচালের দোয়া
وَيَمْكُرُونَ وَيَمْكُرُ الله وَالله خَيْرُ المُكِرينَ
ওয়া ইয়ামকুরূনা ওয়া ইয়ামকুরুল্লা-হু ওয়াল্লা-হু খাইরুল মা-কিরীন।
(আর তারা ষড়যন্ত্র করে এবং আল্লাহও ষড়যন্ত্র করেন। আর আল্লাহ হচ্ছেন ষড়যন্ত্রকারীদের মধ্যে উত্তম।(8:31)
وَأَرَادُوا۟ بِهِۦ كَيْدًۭا فَجَعَلۡنَـٰهُمُ ٱلۡأَخۡسَرِينَ
ওয়া‑আরাদু বিহি কাইদান ফাজা’লনাহুমুল আকসারীন।[সুরা নং ২১:৭০]
(তারা তার (হজরত ইব্রাহীম আলাইহিস সালাম) বিরুদ্ধে এক ফন্দি আঁটতে চেয়েছিল; কিন্তু আমরা তাদেরকে সর্বাধিক ক্ষতিগ্রস্ত করে দিয়েছি।
কারু দ্বারা অনিষ্টর সম্ভাবনা আচ করলে পড়বে :
اَللَّهُمَّ إِنَّا نَجْعَلُكَ فِيْ نُحُوْرِهِمْ وَنَعُوْذُ بِكَ مِنْ شُرُوْرِهِمْ
আল্লা-হুম্মা ইন্না নাজ‘আলুকা ফী নুহূরিহিম ওয়া না‘ঊযুবিকা মিন শুরূরিহিম’
(হে আল্লাহ! আমরা আপনাকে ওদের মুকাবিলায় পেশ করছি এবং ওদের অনিষ্ট সমূহ হ’তে আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি)
[আহমাদ, আবুদাঊদ, মিশকাত হা/২৪৪১, ]
হিংসুকের অনিষ্ট থেকে বেচে থাকার দোয়া:-
وَمِنْ شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَة
ওয়া মিং শারি হা-ছিদিন ইযা-হাছাদ।
(আর হিংসুকের অনিষ্ট থেকে যখন সে হিংসা করে'।(113:5)
জ্বিন বা যে কোন অনিষ্ঠ থেকে বাচার দোয়া
بسم الله الذي لاَ يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلَا فِى السَّمَاءِ وهو السميع العليم
বিসমিল্লা-হিল্লাযী লা- ইয়া দুর্রু মা য়াসমিহি শাইয়্যুন ফিল আরদ্বি ওয়ালা-ফিস্ সামায়ি ওয়া হুওয়াস্ সামী-উল আলী-ম।
অর্থঃ শুরু করছি সেই আল্লাহ্র নামে, যার নামের সাথে আসমান এবং যমীনের কোন বস্তুই কোন ক্ষতি করতে পারবে না, তিনি মহাশ্রোতা মহাজ্ঞানী।
أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ
আউ-যু বি কালিমা- তিল্লাহিত্ তা-ম্মা -তি মিন শাররি মা খালাক্ব।
অর্থঃ “আশ্রয় প্রার্থনা করছি আল্লাহ্ পরিপূর্ণ বাণী সমূহের মাধ্যমে -তাঁর সৃষ্টির সকল প্রকার অনিষ্ট থেকে।”
শয়তানের প্ররোচনা থেকে মুক্তির দোয়া:-
رَّبِّ أَعُوذُ بِكَ مِنْ هَمَزَاتِ الشَّيَاطِينِ وَأَعُوذُ بِكَ رَبِّ أَن يَحْضُرُونِ
রাব্বি আ’ঊযু বিকা মিন হামাঝা-তিশাইয়া-তশীন।ওয়া আ'ঊযু বিকা রাব্বি আইঁ ইয়াহ'দু'রূন।
(‘হে আমার রব, আমি শয়তানের প্ররোচনা থেকে আপনার কাছে পানাহ চাই' ।আর হে আমার রব, আমার কাছে তাদের উপস্থিতি হতে আপনার কাছে পানাহ চাই।[23:97-98]
মনের ভয় দূর করে জয়ী হতে দোয়া:-
رَبِّ اشْرَحْ لِي صَدْرِي وَيَسِّرْ لِي أَمْرِي وَاحْلُلْ عُقْدَةً مِّن لِّسَانِي يَفْقَهُوا قَوْلِي
রব্বিশ রহ্ লী সদরী ওয়া ইয়াস্সির লী আমরী ওয়াহ্লুল উক্দাতাম মিন লিসানী ইয়াফ্কাহু ক্বাওলী
(হে আমার প্রতিপালক! আমার বক্ষ প্রশস্ত করে দিন (আত্মবিশ্বাস ও প্রশান্তি দান করুন)।
আমার কাজকে আমার জন্য সহজ করে দিন। আমার জিহ্বার জড়তা দূর করে দিন,যাতে তারা আমার কথা বুঝতে পারে। (20:25–28)
وَمَا النَّصْرُ إِلَّا مِنْ عِندِ اللَّهِ الْعَزِيزِ الْحَكِيمِ
ওয়া মা নাসরু ইল্লা মিন ‘ইন্দিল্লাহিল ‘আজীজিল হাকীমি।
“সাহায্য বা বিজয় শুধুমাত্র আল্লাহর কাছ থেকে আসে, যিনি শক্তিশালী ও পরিপূর্ণ প্রজ্ঞাবান।”(3:126)
বন্ধুত্ব সৃষ্টির দোয়া:-
عَسَی اللّٰهُ اَنۡ یَّجۡعَلَ بَیۡنَكُمۡ وَ بَیۡنَ الَّذِیۡنَ عَادَیۡتُمۡ مِّنۡهُمۡ مَّوَدَّۃً ؕ وَ اللّٰهُ قَدِیۡرٌ ؕ وَ اللّٰهُ غَفُوۡرٌ رَّحِیۡمٌ
‘আছাল্লা-হু আইঁ ইয়াজ’আলা বাইনাকুম ওয়া বাইনাল্লায়শীনা ‘আ-দাইতুম্ মিনহুম মাওয়াদ্দাতাও ওয়াল্লা-হু কাদীরুও ওয়াল্লা-হু গাফূরুর রাহণীম।
(যাদের সাথে তোমরা শত্রুতা করছ, আশা করা যায় আল্লাহ তোমাদের ও তাদের মধ্যে বন্ধুত্ব সৃষ্টি করে দেবেন। আর আল্লাহ সর্ব শক্তিমান এবং আল্লাহ অতিশয় ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।(60:8)
আরোগ্য লাভের দোয়া:-
اللَّهُمَّ رَبَّ النَّاسِ أَذْهِبِ الْبَأْسَ، اشْفِ أَنْتَ الشَّافِي، لا شِفَاءَ إِلا شِفَاؤُكَ، شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمًا
আল্লাহুম্মা রাব্বান-নাসি, আযহিবিল বা'স, ইশফি আনতাশ-শাফি, লা শিফা'আ ইল্লা শিফা-উকা, শিফা-আন লা ইউগাদিরু সাক্বামা।
(হে মানুষের রব আল্লাহ! কষ্ট দূর করে দিন, আরোগ্য দিন। আপনিই প্রকৃত আরোগ্যদাতা। আপনার আরোগ্য ছাড়া কোনো আরোগ্য নেই; এমন আরোগ্য দিন যা রোগের চিহ্নও রেখে যাবে না । সহীহ বুখারি, হাদীস: 5743; সহীহ মুসলিম, হাদীস : 2191 )
সম্পদ লাভের দোয়া:-
وَاَنَّهُ هُوَ اَغْنى وَ اقنى
ওয়া আন্নাহূ হুওয়া আগনা-ওয়া আকনা-
(আর এই যে, তিনিই অভাবমুক্ত করেন ও সম্পদ দান করেন।[53:48]
لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ الْعَلِيِّ الْعَظِيمِ
লা হাওলা ওয়ালা ক্বও ওয়াতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিয়িল আজীম।
“আল্লাহ ছাড়া কোনো শক্তি বা ক্ষমতা নেই, তিনি সর্বোচ্চ এবং মহিমাশালী।”
[মুসলিম এবং তিরমিজি]
رَبِّ غَنِيٌّ كَرِيمٌ
রাব্বি গানিউন কারীম
“প্রভু, তুমি ধনী ও উদার।”[৫৩:৩]
وَّہُوَ خَیۡرُ الرّٰزِقِیۡنَ
ওয়া হুওয়া খাইরুর রা-ঝিকীন।
''তিনি শ্রেষ্ঠতম রিযিকদাতা''[23:72]
اللَّهُمَّ افْتَحْ لِي أَبْوَابَ رِزْقِكَ
আল্লাহুম্মাফ তাহ্ লি আব ওয়াবা রিযকিকা
''হে আল্লাহ! আপনি আমার জন্য আপনার রিযকের দরজাগুলো খুলে দিন।''
Prophet Muhammad (ﷺ) মসজিদে ঢোকার সময় বলতেন:
اللَّهُمَّ افْتَحْ لِي أَبْوَابَ رَحْمَتِكَ
আল্লাহুম্মা ফতাহ্ লি আবওয়াবা রহমাতিক
''হে আল্লাহ! আমার জন্য আপনার রহমতের দরজাগুলো খুলে দিন।''
📚 উৎস: Sahih Muslim
وَّاُخۡرٰی لَمۡ تَقۡدِرُوۡا عَلَیۡہَا قَدۡ اَحَاطَ اللّٰہُ بِہَا ؕ وَکَانَ اللّٰہُ عَلٰی کُلِّ شَیۡءٍ قَدِیۡرًا
ওয়া উখরা-লাম তাকদিরূ‘আলাইহা-কাদ আহা-তাল্লা-হু বিহা- ওয়াকা-নাল্লা-হু ‘আলা-কুল্লি শাইয়িন কাদীরা-।
''আছে আরও একটি বিজয়। যা তোমরা এখনও পর্যন্ত সক্ষম হওনি, আল্লাহ তা নিজ আয়ত্তাধীন রেখে দিয়েছেন। আল্লাহ সর্ববিষয়ে পরিপূর্ণ ক্ষমতাবান।''[48:19]
ঈমান সম্বৃদ্ব করার দোয়া:-
رَبَّنَا لا تُزِغْ قُلُوبَنَا بَعْدَ إِذْ هَدَيْتَنَا وَهَبْ لَنَا مِن لَّدُنكَ رَحْمَةً إِنَّكَ أَنتَ الْوَهَّابُ
রাব্বানা লা তুযিঘ কুলুবানা বা-দা ইয হাদায়তানা ওয়া হাব লানা মিল্লাযুনকা রাহমাহ ইন্নাকা আন্তাল ওয়াহাব
(হে আল্লাহ! তুমি আমাদেরকে তোমার দেখানো পথ থেকে পথভ্রষ্ট হতে দিও না এবং আমাদের ক্ষমা কর। নিশ্চয়ই আপনি দানশীল। সুরা: ৩:৮)
আল্লাহর উপর অগাদ ভরসার দোয়া
حَسْبِيَ الله لا إله إلا هو عَليه تَوَكَّلْتُ وهو رَبُّ الْعَرشِ العَظيم
উচ্চারণঃ হাসবিয়্যাল্লাহু লা-ইলাহা ইল্লা-হুওয়া আলাইহি তাওয়াক্কালতু ওয়া হুওয়া রাব্বুল আরশিল আযীম।
অর্থঃ “আল্লাহ্ই আমার জন্য যথেষ্ট, তিনি ব্যতীত কোন মা'বুদ নেই, তাঁর প্রতি ভরসা করেছি, তিনি মহান আরশের অধিপতি
জান্নাত ওয়াজিব হওয়ার দোয়া
সকাল-সন্ধ্যা বা যেকোন সময় যতবার ইচ্ছা ততবার পড়তে পারে।
রাসূল (ছাঃ) বলেন, যে ব্যক্তি উক্ত দো'আ বলবে তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হবে (আবুদাঊদ হা/১৫২৯)।
رَضِيتُ بِاللَّهِ رَبًّا وَبِالْإِسْلَامِ دِينًا وَبِمُحَمَّدٍ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَبِيًّا وَرَسُولًا
রাদিতু বিল্লাহি রাব্বা ওয়াবিল ইসলামী দিনা ওয়াবি মুহাম্মাদিন নাবিয়্যা ওয়া রাসুলা।'
অর্থ : আল্লাহ আমার প্রভু, ইসলাম আমার ধর্ম এবং মুহাম্মদ (সা.) আমার নবী হওয়ায় আমি সন্তুষ্ট আছি
ফজরের ফরজ নামাজ শেষে ৩ বার পড়া:-
''রাসুল(স:) তার বিবিকে শিখিয়েছিলেন।যিনি ফরজ নামাজ শেষে দীর্ঘ ইবাদতে মশগুল ছিলেন,তখন রাসুল(স:)বললেন,তুমি সকাল থেকে
এ পর্যন্ত যত কিছু বলেছো সবকিছু একত্রে যে সাওয়াব হবে, এ বাক্যগুলোর সাওয়াব একই পরিমাণ হবে।''বর্তমান বিশ্বের মানুষের জন্য এটি
খুবই জরুরী কেননা সকালে তাদের হাতে সময় খুবই কম থাকে নানাবিধ কর্ম সারতে।মাত্র ৩ বার পড়লেই যথেষ্ঠ।
سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ عَدَدَ خَلْقِهِ وَرِضَى نَفْسِهِ وَزِلَةٌ عَرْشِهِ وَمِدَادَ كَلِمَاتِهِ
সুব’হা-নাল্লা-হি ওয়াবি হামদিহী, ‘আদাদা খালক্বিহী, ওয়া রিদ্বা- নাফসিহী, ওয়া ঝিনাতা ‘আরশিহী ওয়া মিদা-দা কালিমাতিহী।
(পবিত্রতা আল্লাহ্ এবং প্রশংসা তাঁরই, তাঁর সৃষ্টির সমসংখ্যক, তাঁর নিজের সন্তুষ্টি সম পরিমাণে, তাঁর আরশের ওজন পরিমাণে এবং তাঁর বাণীসমূহ লেখার কালি পরিমাণ (অগণিত অসংখ্য )
■ রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২৭২৬
رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَّفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَّقِنَا عَذَابَ النَّارِ،
রববানা আ-তিনা ফিদ্দুন্ইয়া হাসানাতাঁও ওয়া ফিল আ-খিরাতে হাসানাতাঁও ওয়া ক্বিনা আযা-বান্না-র’।
‘হে আল্লাহ! হে আমাদের পালনকর্তা! তুমি আমাদেরকে দুনিয়াতে মঙ্গল দাও ও আখেরাতে মঙ্গল দাও এবং আমাদেরকে জাহান্নামের আযাব থেকে বাঁচাও’।
সাইয়িদুল ইস্তিগফার
রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি দৃঢ় বিশ্বাসের সাথে এই দো‘আ পাঠ করবে, দিনে পাঠ করে রাতে মারা গেলে কিংবা রাতে পাঠ করে দিনে মারা গেলে, সে জান্নাতী হবে’।
اَللَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّىْ لآ إِلهَ إلاَّ أَنْتَ خَلَقْتَنِىْ وَأَنَا عَبْدُكَ وَأَنَا عَلى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ، أَعُوْذُبِكَ مِنْ شَرِّمَا صَنَعْتُ، أبُوْءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَىَّ وَأَبُوْءُ بِذَنْبِىْ فَاغْفِرْلِىْ، فَإِنَّهُ لاَيَغْفِرُ الذُّنُوْبَ إِلاَّ أَنْتَ
আল্লা-হুম্মা আনতা রব্বী লা ইলা-হা ইল্লা আনতা খালাক্বতানী, ওয়া আনা ‘আবদুকা ওয়া আনা ‘আলা ‘আহদিকা ওয়া ওয়া‘দিকা মাসতাত্বা‘তু, আ‘ঊযুবিকা মিন শার্রি মা ছানা‘তু। আবূউ লাকা বিনি‘মাতিকা ‘আলাইয়া ওয়া আবূউ বিযাম্বী ফাগফিরলী ফাইন্নাহূ লা ইয়াগফিরুয্ যুনূবা ইল্লা আনতা।
(‘হে আল্লাহ! তুমি আমার পালনকর্তা। তুমি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। তুমি আমাকে সৃষ্টি করেছ। আমি তোমার দাস। আমি আমার সাধ্যমত তোমার নিকটে দেওয়া অঙ্গীকারে ও প্রতিশ্রুতিতে দৃঢ় আছি। আমি আমার কৃতকর্মের অনিষ্ট হ’তে তোমার নিকটে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আমি আমার উপরে তোমার দেওয়া অনুগ্রহকে স্বীকার করছি এবং আমি আমার গোনাহের স্বীকৃতি দিচ্ছি। অতএব তুমি আমাকে ক্ষমা কর। কেননা তুমি ব্যতীত পাপসমূহ ক্ষমা করার কেউ নেই’।(বুখারী, মিশকাত হা/২৩৩৫ )
أَسْتَغْفِرُ اللهَ الَّذِيْ لآ إِلَهَ إِلاَّ هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّوْمُ وَأَتُوْبُ إِلَيْهِ
আস্তাগফিরুল্লা-হাল্লাযী লা ইলা-হা ইল্লা হুওয়াল হাইয়ুল ক্বাইয়ূমু ওয়া আতূবু ইলাইহে
(আমি আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি। যিনি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। যিনি চিরঞ্জীব ও বিশ্বচরাচরের ধারক এবং আমি তাঁর দিকেই ফিরে যাচ্ছি (বা তওবা করছি)।[তিরমিযী, আবুদাঊদ, মিশকাত হা/২৩৫৩ ]
لآ إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ سُبْحَانَكَ إِنِّيْ كُنْتُ مِنَ الظَّالِمِيْنَ
‘লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহা-নাকা ইন্নী কুনতু মিনায যোয়া-লিমীন’
(হে আল্লাহ! তুমি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। তুমি মহা পবিত্র। নিশ্চয়ই আমি অন্যায়কারীদের অন্তর্ভুক্ত)। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, যখন কোন মুসলিম কোন সমস্যায় এই দো‘আর মাধ্যমে তার পালনকর্তাকে আহবান করে, যেভাবে ইউনুস (আ:)মাছের পেটে গিয়ে করেছিলেন, তখন আল্লাহ তার আহবানে সাড়া দেন। [আম্বিয়া ২১/৮৭; আহমাদ, তিরমিযী, মিশকাত হা/২২৯২ ]
رَبِّ اغْفِرْ وَارْحَمْ وَأَنْتَ خَيْرُ الرَّاحِمِينَ
রাব্বিগ্ফির ওয়ারহাম, ওয়া আনতা খাইরুর রাহিমীন।
হে আমার পালনকর্তা! ক্ষমা করুন ও দয়া করুন; আর আপনিই সর্বশ্রেষ্ঠ দয়ালু। (সূরা আল-মু’মিনূন (২৩:১১৮)
সহজতর মৃত্যুর জন্য দোয়া
اللَّهُمَّ أَعِنِّى عَلَى غَمَرَاتِ الْمَوْتِ وَسَكَرَاتِ الْمَوْتِ
আল্লা-হুম্মা আইন্নী আলা গামারাতিল মাউতি ওয়া সাকারাতিল মাউতি
(হে আল্লাহ! মৃত্যুর কাঠিন্য ও তাঁর মারাত্মক কষ্ট হতে আপনার কাছে আশ্রয় চাই ; তিরমিজি978)
রোজা / ছিয়াম বিষয়ক দোয়াসমুহ:-
ইফতারের দো‘আ :بِسْمِ اللهِ‘বিসমিল্লা-হ’
(আল্লাহর নামে শুরু করছি)।
ইফতার শেষে দো‘আ :الحمدلله والشكر لله
আলহামদুলিল্লাহি ওয়া শুকরুল্লাহ
(আল্লাহর জন্য সকল প্রশংসা এবং কৃতগ্গতা জানাচ্ছি)।
ذَهَبَ الظَّمَأُ وَابْتَلَّتِ الْعُرُوْقُ وَثَبَتَ الْأَجْرُ إِنْ شَآءَ اللهُ
‘যাহাবায যামাউ ওয়াবতাল্লাতিল উরূক্বু ওয়া ছাবাতাল আজরু ইনশা-আল্লাহ’
(তৃষ্ণা দূর হ’ল, শিরা-উপশিরা সিক্ত হ’ল এবং আল্লাহ চাহে তো পুরস্কার নিশ্চিত হ’ল)।
[আবুদাঊদ, মিশকাত হা/১৯৯৩ ]
اللَّهُمَّ تَقَبَّلْ صِيَامَنَا وَقِيَامَنَا وَرُكُوعَنَا وَسُجُودَنَا وَتِلَاوَتَنَا، وَاجْعَلْنَا مِنَ الْمَقْبُولِينَ، وَأَعِدْهُ عَلَيْنَا أَعْوَامًا كَثِيرَةً وَأَزْمِنَةً مَدِيدَةً، وَنَحْنُ فِي صِحَّةٍ وَعَافِيَةٍ، فَاغْفِرْ لَنَا وَلِوَالِدَيْنَا وَلِلْمُسْلِمِينَ أَجْمَعِينَ.
আল্লাহুম্মা তাকাব্বাল সিয়ামানা ওয়া কিয়ামানা, ওয়া রুকূ‘আনা ওয়া সুজূদানা ওয়া তিলাওয়াতানা,
ওয়াজ‘আলনা মিনাল মাকবূলীন,
ওয়া আ‘ইদহু ‘আলাইনা আ‘ওয়ামান কাসীরা ওয়া আজমিনাতান মাদীদাহ,
ওয়া নাহনু ফি সিহহাতিন ওয়া ‘আফিয়াহ,
ফাগফির লানা ওয়া লিওয়ালিদাইনা ওয়ালিল মুসলিমিনা আজমা‘ঈন।
''হে আল্লাহ! আমাদের রোজা, নামাজ (কিয়াম), রুকূ, সিজদা ও তিলাওয়াত কবুল করুন।
এবং আমাদেরকে কবুলকৃতদের অন্তর্ভুক্ত করুন।
এবং এটিকে (রমজান/ইবাদত) আমাদের কাছে বারবার ফিরিয়ে দিন বহু বছর ও দীর্ঘ সময় ধরে,
যখন আমরা সুস্থতা ও নিরাপত্তায় থাকি।
অতঃপর আমাদের, আমাদের পিতা-মাতার এবং সকল মুসলিমের গুনাহ মাফ করুন।''
লায়লাতুল ক্বদরের দো‘আ :
রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) আয়েশা (রাঃ)-কে রামাযানের শেষ দশকের বেজোড় রাত্রিগুলিতে পড়ার জন্য নিম্নের দো‘আটি শিক্ষা দিয়েছিলেন।-
اَللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي
আল্লা-হুম্মা ইন্নাকা ‘আফুববুন তোহেববুল ‘আফওয়া ফা‘ফু ‘আন্নী’
(হে আল্লাহ! তুমি ক্ষমাশীল। তুমি ক্ষমা করতে ভালবাস। অতএব আমাকে ক্ষমা কর)
****(পুরুষেরা ''আন্নীর'' পরিবর্তে ''আন্না ''পড়বেন)
[আহমাদ, তিরমিযী, ইবনু মাজাহ, মিশকাত হা/২০৯১ ]
More Dua (Hit me)
Email: newdua007@gmail.com